• ২৭ মাঘ ১৪৩২, শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Martyr

রাজ্য

বরাক উপত‍্যকার একাদশ অমর ভাষা শহীদদের স্মরণে 'বাংলা পক্ষ'

মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরে বাংলা পক্ষ সংগঠনের জেলা শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার ১৯ শে মে বরাক উপত্যকার একাদশ অমর ভাষাশহীদদের স্মরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। এই শোভাযাত্রায় বাংলা পক্ষের সসদ্যদের সাথে পা মেলান বহরমপুর সহ মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষজন। শোভাযাত্রার পথে বর্ণপরিচয় স্রষ্ঠা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন ও ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়।ভাষা আন্দোলন বলতে আমরা সাধারণ ভাবে যে দিনটির কথা জানি সেটা হল ২১ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু স্বাধীন ভারতের মাটিতে হওয়া বাংলা ভাষা আন্দোলন দিবস ১৯ শে মে এবং ১ লা নভেম্বরের কথা অনেকেই জানে না। উল্লেখ্য, আসামের বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল আসাম সরকারের অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যের একমাত্র সরকারি ভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যেহেতু সেই অঞ্চলে বসবাসকারী জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল বাংলাভাষী। এই গণ ঘটনাটি ১৯৬১ সালের ১৯ মে, ১১ জন প্রতিবাদে সামিল ভাষা আন্দোলনকারি কে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে আসাম রাজ্য পুলিশ নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে।পদযাত্রার শেষে বহরমপুরের কালেক্টরেট ক্লাবের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গর্গ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও বাংলা পক্ষ শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, নুরুল হাসান ও কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে মঞ্চ আলোকিত করেন অধ্যাপক মধু মিত্র, ও অধ্যাপক জ্যোতির্ময় রায়চৌধুরী।জ্যোতির্ময় বাবু কিভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ আন্দামানের বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন সেই কথা তুলে ধরেন, মধু মিত্র মুর্শিদাবাদে বাংলা পক্ষের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে হিন্দী আগ্রাসনের বিরোধিতা শোনা যায় তাঁর কণ্ঠে। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে বলেন ভারতের প্রত্যেক রাজ্য ভূমিপুত্র সংরক্ষণের মাধ্যমে নিজের জাতির ভবিষ্যত সুরক্ষিত করছে, বাংলা ব্যতিক্রম হতে পারে না। বাংলা পক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষায় যেমন বাংলা ভাষা দাবি করে তেমন বাংলার রাজ্য সরকারি চাকরিতেও বাংলা ভাষা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি করে। সার্বিক ভাবে বাংলা পক্ষ বাংলা ভাষাকে কাজের ভাষা করে তুলতে চায়। শীর্ষ পরিষদ সদস্য মুর্শিদাবাদ জেলার ভূমিপুত্র তথা বাংলা পক্ষবার্তার প্রধান নুরুল হাসান তাঁর বক্তব্যে বাংলা পক্ষে প্রয়োজনীয়তা, লক্ষ্য ও বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি মুর্শিদাবাদের রেশম, বিড়ি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের কথা তুলে ধরেন। এতো কাজের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও জেলার ছেলে দের কেন ভিনরাজ্যে যেতে হবে সেই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন বাংলা পক্ষ দাবি করে বেসরকারি চারকিতেও ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। সভায় উপস্থিত জেলা সংগঠনের পর্যবেক্ষক তথা শীষ পরিষদ সদস্য মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন বাংলা পক্ষ ভবিষ্যতের সংগঠন, তরুণ প্রজন্মের সংগঠন। বাংলার যুব সমাজের চাকরি, ব্যবসা, টেণ্ডারে ভূমিপুত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু সাংস্কৃতিক ভাবে বাংলা ভাষা তথা বাঙালিকে বাঁচানো যাবে না। রাজনৈতিক ভাবেই হিন্দি আগ্রাসনের প্রতিবাদ করতে হবে।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস চিকিৎসা ক্ষেত্রে বহিরাগতদের সংখ্যা বাড়ায় বাঙালির চিকিৎসা পরিষেবায় সমস্যার কথা বলেন। বলেন বেসরকারি হাসপাতাল গুলিতে বাঙালির বঞ্চনার কথা। আগামীতে এই বিষয়েও বাংলা পক্ষ প্রতিবাদে সরব হবে বলে তিনি জানান। এই সভাটি সঞ্চালনা করেন মুর্শিদাবাদের বাংলা পক্ষের অন্যতম সংগঠক অরিন্দম চন্দ্র।

মে ১৯, ২০২২
দেশ

Kashmir-Terrorists: উপত্যকায় নিকেশ দুই লস্কর জঙ্গি, শহিদ এক জওয়ান

উপত্যকায় অশান্তি কিছুতেই কাটছে না। পুঞ্চের পর এবার দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান। গোপন সূত্রে নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা জানতে পারেন, সোপিয়ানে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে লস্কর জঙ্গিরা। সেই মতো অভিযান চালান জঙ্গিরা। গুলির লড়াই শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে। সংঘর্ষে দুই লস্কর-ই-তইবা জঙ্গিকে নিকেশ করেছে ভারতীয় সেনা। গুলির লড়াইয়ে শহিদ হয়েছেন এক সেনা জওয়ান। জখম হয়েছেন আরও দুই জওয়ান।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপিকিছুদিন আগেই উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের বাসিন্দা এক কাঠের মিস্ত্রিকে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। ওই কাঠের মিস্ত্রি কাশ্মীরে কাজে গিয়েছিলেন। আজ যে জঙ্গিদের নিকেশ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে একজনকে শনাক্ত করতে পেরেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। নাম আদিল ওয়ানি। উত্তরপ্রদেশের কাঠের মিস্ত্রিকে হত্যায় যুক্ত ছিল এই লস্কর জঙ্গি।কাশ্মীর পুলিশের ইনস্পেক্টর জেনারেল বিজয় কুমার এক টুইটে জানিয়েছেন, আদিল ওয়ানি ২০২০ সালের জুলাই মাস থেকে উপত্যকায় সক্রিয় ছিল। শেষ দুই সপ্তাহে ১৫ জন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে পুঞ্চের জঙ্গলে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা।গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত জম্মু-কাশ্মীর। একদিকে চলছে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ। অন্যদিকে, নিরীহ ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের উপর লাগাতার আক্রমণ করছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা।প্রসঙ্গত, গতমাসেই পাক সেনার মদতে পুঞ্চ-রাজৌরি সেক্টর থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল ১০জন জঙ্গি। তাদের খোঁজে রাজৌরি সেক্টরে তারপর থেকেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। এর মধ্যে একাধিকবার সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই হয়। কিন্তু জঙ্গিদের সঙ্গে সেই এনকাউন্টারে দুই জুনিয়র কমিশনড অফিসার-সহ ৯ জওয়ান শহিদ হন। তার পালটা হিসেবেই ছয় পাক জঙ্গিকে নিকেশ করে ভারতীয় সেনা।

অক্টোবর ২০, ২০২১
দেশ

সীমান্তে শহিদ জওয়ান

ফের সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান । বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরিতে আচমকাই গোলাগুলি বর্ষণ শুরু করে পাক সেনা। পালটা জবাব দেয় ভারতও। সেই সময়ই পাকিস্তানের সেনার ছোঁড়া গুলিতে শহিদ হলেন এক ভারতীয় জওয়ান। ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত জওয়ানের নাম লক্ষ্ণণ। এই নিয়ে নতুন বছরে চার জন জওয়ানের মৃত্যু হল পাক সেনার হামলায়।সেনার এক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবেন্দ্র আনন্দ জানিয়েছেন, এদিন অন্যান্য বারের মতোই কোনও প্ররোচনা ছাড়াই গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা। তখনই তাদের ছোঁড়া গুলিতে মারাত্মক জখম হন ওই জওয়ান। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় তাঁর। শেষ পর্যন্ত আর বাঁচানো যায়নি তাঁকে। শহিদ জওয়ান সম্পর্কে ওই মুখপাত্র বলেন, লক্ষ্ণণ ছিলেন একজন সাহসী, অনুপ্রাণিত ও কর্তব্যনিষ্ঠ সৈনিক। তাঁর ত্যাগ ও নিষ্ঠার জন্য দেশ তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। প্রসঙ্গত, রাজস্থানের যোধপুরের বাসিন্দা ছিলেন লক্ষ্মণ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১
রাজ্য

আমি বাংলার ছেলে, মানুষের কাজ করবঃ শুভেন্দু

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মুখ খুললেন না বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতি্বার শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন উপলক্ষে এক পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। ১৩১ তম জন্মদিনে বৃহস্পতিবার তমলুকের হাসপাতাল মোড়ে শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করেন বিধায়ক শুভেন্দু অদিকারী। সেখান থেকে হেঁটে যান শহিদের স্মৃতি বিজড়িত হ্যামিলটন স্কুলে। পদযাত্রা সেরে হ্যামিলটন হাইস্কুলে একটি সভা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ক্ষুদিরাম বসু উদযাপন কমিটির আয়োজনে প্রত্যেক বছরই এই অনুষ্ঠানে আসি, এবারও এসেছি। হাতে জাতীয় পতাকা, পিছনে অনুগামীদের বুকে শহিদ ক্ষুদিরামের ছবি, গলায় বন্দেমাতরম স্লোগান। সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় কোনও রাজনৈতিক কথা বলেননি ্তিনি। আরও পড়ুন ঃ আর নয় অন্যায় কর্মসূচির ঘোষণা বিজেপির শুভেন্দু বলেন, হ্যামিলটন স্কুলের বক্তব্যে ক্ষুদিরাম বসু ও মাতঙ্গিনী হাজরাকে স্মরণ করেন তিনি। ১৯০১-১৯০৪, এই ৪ বছর ক্ষুদিরাম বসু এই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। সাংসদ থাকাকালীন দেখেছি, স্কুলে ক্ষুদিরামের হাতের লেখা ইত্যাদি সংরক্ষণ করেছেন। তার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। এরপরেই ক্ষুদিরাম বসুকে নিয়ে লেখা দুটি বইপ্রকাশ করে পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা বেরিয়ে যান শুভেন্দু। অনুষ্ঠান শেষ হতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিধায়ক। প্রশ্ন করা হয়, তাঁর বর্তমান অবস্থান নিয়ে। তিনি সাফ বলেন, আমি বাংলার সন্তান, ভারতের সন্তান। বাংলার সন্তান হিসেবেই মানুষের পাশে, মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করবেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

নেতাইয়ের সঙ্গে আছি, থাকবঃ শুভেন্দু

আমাকে আমার লক্ষ্য ,কর্মপদ্ধতি ও দায়বদ্ধতা থেকে কেউ কোনওদিন সরিয়ে দিতে পারেনি আর পারবেও না। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে নেতাই গ্রামের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। রবিবার নেতাই শহীদ স্মৃতিরক্ষা কমিটির ব্যবস্থাপনায় গৃহ প্রদান ও মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে এসে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ৫২ জন মহিলাকে সেলাই প্রদান ও ১৭ জনকে বাড়ি প্রদান করা হয় এদিন। তিনি এদিন বলেন, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে নেতাই গ্রামের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। নেতাইয়ের মানুষের সমস্ত প্রয়োজনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। তুলে ধরলেন নেতাইয়ের শহিদ ও আহত পরিবার, মামলায় সাক্ষীদের ক্ষোভের কথা। আরও পড়ুনঃ নেতাইয়ে গৃহ প্রদান ও মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন , তিনি বলেন, এর আগে আমি এখানে ক্ষোভ লক্ষ্য করেছি কিন্তু আমার প্রতি তাঁদের কোনওরকম ক্ষোভ নেই। তাঁরা ৮ জনের কর্মসংস্থানের কথা বলেছিলেন। আমি তাদের পাঁচজনের ছোটখাটো কর্মসংস্থান করতে পেরেছি। বাকি তিন জনের কথাও ভাবছি। নেতাইয়ের সঙ্গে আমার আত্মিক, মানসিক ও হৃদয়ের সম্পর্ক।তিনি বলেন, চন্দ্র, সূর্য, পৃথিবী যতদিন থাকবে শুভেন্দু অধিকারী যতদিন হাঁটাচলা করতে পারবে ততদিন নেতাইয়ের সঙ্গে আছি, থাকব। পুজোতে তিনি ফের জঙ্গলমহলে আসবেন বলে জানিয়ে দেন শুভেন্দু।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
রাজ্য

শহিদ জওয়ানের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য রাজ্যপালের

লাদাখের গালোয়ান ভ্যালিতে সংঘর্ষে শহিদ জওয়ান বিপুল রায়ের বাড়িতে গেলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় । শুক্রবার সকাল ৯ টা ২৫ মিনিট নাগাদ বিন্দিপাড়ায় শহিদ জওয়ানের বাড়িতে যান রাজ্যপাল। শহিদ বিপুল রায়ের পরিবারের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন তিনি। তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা তুলে দেন শহিদ বিপুল রায়ের স্ত্রী রুম্পা রায়ের হাতে । রাজ্যপালের স্ত্রী বিপুল রায়ের মা কুসুম রায়ের হাতে তুলে দেন আরও সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা । বিপুলের ছোটো ভাই বকুল রায়কে কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রুপ সি পদে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন রাজ্যপাল । প্রায় চল্লিশ মিনিট পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করে বলেন, ভারত সঠিক দিশায় এগোচ্ছে । ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে একজন । সে বিষয়ে কোনও মতান্তর নেই । ভারত আমূল পালটে যাচ্ছে । ভারত সঠিক পথেই বদলাচ্ছে । আমি দেখতে পাচ্ছি ভারতের পুরোনো ঐতিহ্য, গৌরব ফিরে আসছে । ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গের যোগদান কম থাকবে না । রাজ্যের প্রথম নাগরিক হওয়ার সুবাদে আমার কর্তব্য পশ্চিমবঙ্গকে কোনওভাবেই এমন বিষয়ের পরিচায়ক হতে দেব না যাকে আমরা হিংসা বলি । তিনি এদিন রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা নেই। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে। ছক কষে বিরোধীদের খুন করা হচ্ছে। মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের থেকে জবাব চেয়েও পাইনি। গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় এভাবে রাজ্য সরকার চলতে পারে না। এদিকে এদিন আলিপুরদুয়ারের বিন্দিপাড়ায় পৌঁছনো্র পর রাজ্যপাল দেখতে পান, কয়েকটি পোস্টার সাঁটা রয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, পঙ্গপাল রাজ্যপাল। নির্লজ্জ বিজেপির দালাল। কোথায় ছিল এতকাল। জবাব চাই। জবাব দাও। পোস্টারের নিচে তৃণমূলের নামও উল্লেখ করা ছিল। তাতেই বেজায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। যদিও শাসকদল তৃণমূল এই পোস্টারের সঙ্গে তাদের কোনও যোগসাজশ নেই বলেই দাবি করেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
দেশ

পুলওয়ামায় ফের জঙ্গি হামলা, শহিদ ২ জওয়ান

ফের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা। ওই হামলায় শহিদ হয়েছেন ২ সিআরপিএফ জওয়ান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ৩ জওয়ানকে শ্রীনগরের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামার পাম্পোরে সোমবার দুপুর নাগাদ এই হামলা চালায় জঙ্গিরা। এদিন সিআরপিএফ-এর ১১০ নম্বর ব্যাটালিয়ন ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সেখানে টহল দিচ্ছিলেন। কান্দিজাল সেতুর কাছে আসতেই আচমকাই তাদের ওপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। হামলার পরই এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী।চলে তল্লাশি।

অক্টোবর ০৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ফের আগুনে আতঙ্ক! সল্টলেক সেক্টর ফাইভের বহুতলে ধোঁয়া, দমকলের তৎপরতা

আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের ক্ষত এখনও তাজা। তার মধ্যেই ফের আগুন শহরে। এবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল সল্টলেক সেক্টর ফাইভ-এ। একটি বহুতল অফিস ভবন থেকে গলগল করে ধোঁয়া বের হতে দেখে চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।জানা গিয়েছে, গ্লোবসিন ক্রিস্টাল বিল্ডিং-এ আচমকাই আগুন লাগে। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ৩টি ইঞ্জিন। দমকল কর্মীরা পৌঁছেই গোটা বিল্ডিং খালি করে দেন। আতঙ্কে একে একে বাইরে বেরিয়ে আসেন তথ্য-প্রযুক্তি সংস্থাগুলির কর্মীরা। অফিস টাইম হওয়ায় মুহূর্তের মধ্যে রাস্তায় ভিড় জমে যায়। আশপাশের এলাকা থেকেও বহু মানুষ ছুটে আসেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, হঠাৎ করেই অফিসের ভিতরে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে সকলকে নিচে নেমে যেতে বলা হয়। এক কর্মী জানান, তখন তাঁরা অফিসের ভিতরেই ছিলেন। হঠাৎ বলা হয় বাইরে বেরিয়ে যেতে। পরে নিচে নেমে শোনা যায়, উপরের একটি রেস্তোরাঁয় আগুন লেগেছে।তবে ঠিক কোথা থেকে আগুনের সূত্রপাত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। রেস্তোরাঁ থেকেই আগুন ছড়িয়েছে, না কি অন্য কোনও জায়গা থেকে, তা খতিয়ে দেখছেন দমকল কর্মীরা। ভবনের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করেছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দমকলের চেষ্টায় কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানা গিয়েছে। তবুও ব্যস্ত সময়ে এই ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে অফিস কর্মীদের মধ্যে। এলাকায় এখনও কৌতূহলী মানুষের ভিড় রয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-বিরোধিতার অধ্যায় শেষ? মোদির ফোনে বদলাচ্ছে ঢাকা-দিল্লির সমীকরণ!

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক সংসদীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে বিএনপি। এই জয়ের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছেঢাকা ও দিল্লির সম্পর্ক কি আবার উষ্ণ হতে চলেছে?শুক্রবার নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এক্স হ্যান্ডেলে বার্তা দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান-কে অভিনন্দন জানান। পরে ফোনেও তাঁর সঙ্গে কথা বলেন তিনি। মোদি লেখেন, বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচনে বিরাট জয়ের জন্য তারেক রহমানকে তিনি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। এই জয় বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। দুই দেশের বহুমুখী সম্পর্ক আরও জোরদার করতে একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছাও প্রকাশ করেন তিনি।এর জবাবে বিএনপির পক্ষ থেকেও মোদিকে ধন্যবাদ জানানো হয়। দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। দুই দেশের জনগণের পারস্পরিক সম্পর্কও নতুন করে শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।এর আগে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে উপদেষ্টা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন মহম্মদ ইউনুস। তাঁর প্রায় দেড় বছরের শাসনকালে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বাড়ে বলে অভিযোগ ওঠে। ভারত-বিরোধী মনোভাব, সংখ্যালঘু নির্যাতন এবং মৌলবাদী শক্তির উত্থান নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোর ঘটনাও নজরে আসে। এই পরিস্থিতি নিয়ে ভারতের সঙ্গে একাধিকবার কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।এই নির্বাচনে মৌলবাদী দল জামাতকে পিছনে ফেলে ক্ষমতায় এসেছে বিএনপি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে পাকিস্তানের প্রভাব খাটানোর সম্ভাবনায় বড় ধাক্কা লেগেছে। নির্বাচনের আগে জামাতের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর যোগাযোগ নিয়ে নানা জল্পনা চলছিল। তবে ভোটে জামাতের পরাজয়ে সেই সমীকরণ বদলে গেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।সব মিলিয়ে, দীর্ঘ রাজনৈতিক অস্থিরতার পর বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠনের পথে। এখন নজর ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কের দিকে। মোদি ও তারেকের এই সৌজন্য বার্তা কি দুই দেশের সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে তার প্রভাব কতটা পড়বে, সেটাই এখন দেখার।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
কলকাতা

বিদেশি ভোটার ইস্যুতে কড়া নির্বাচন কমিশন! একাধিক জেলাশাসক তিরস্কৃত

ভোটার তালিকা সংশোধনকে ঘিরে কড়া অবস্থান নিল নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে সরাসরি প্রশ্ন করা হয়, কোন কর্তৃত্বে এআরও-রা ইআরএমও-দের ডেকেছিলেন। একাধিক জেলার জেলাশাসকের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিশন।কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও মালদার জেলাশাসকদের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। কোচবিহারের জেলাশাসককে নথি আপলোডে দেরির জন্য তিরস্কার করা হয়েছে। দুই ২৪ পরগনার জেলাশাসকের কাজ নিয়েও অসন্তোষ জানানো হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসককে রাজনৈতিক মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এসআইআর শেষ হওয়ার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বৈঠক করেন। ভিডিও কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও। বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়, কোনও বিদেশি নাগরিকের নাম যেন ভোটার তালিকায় না থাকে। ১৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সব জেলাশাসককে ব্যক্তিগতভাবে তথ্য যাচাই করতে হবে। সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে, যদি ভবিষ্যতে কোনও নাম থেকে যায়, তা হলে এক বা পাঁচ বছর পরেও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। মামলা পর্যন্ত হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ভারতের সংবিধান যাঁদের বৈধ ভোটার বলে চিহ্নিত করে, তাঁদের বাইরে কাউকে বৈধ ভোটার হিসেবে মানা যায় না। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের বৈধ ভোটার হিসেবে দেখছেন। নির্বাচন কমিশন সংবিধান অনুযায়ী কাজ করছে বলেও দাবি করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যসচিবকে তলব করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।অন্যদিকে তৃণমূলের সোশাল মিডিয়া সেলের ইনচার্জ দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, তাঁরাও চান না কোনও বিদেশি ভোটার থাকুক। তবে বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়, সেটাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, সাধারণ মানুষ, পরিযায়ী শ্রমিক বা গরিব মানুষদের বারবার নোটিস দিয়ে ডাকা হচ্ছে। তাঁদের পক্ষে বারবার যাতায়াত করা সম্ভব নয়। ফলে তাঁদের নাম বাদ পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।সব মিলিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে উঠেছে। বিদেশি ভোটার বিতর্কে আগামী দিনে পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
বিদেশ

মোদী বিরোধী আগুনঝরা ভাষণ, তবু ভোটে হার! সারজিস আলমকে ফিরিয়ে দিল পঞ্চগড়

বাংলাদেশের নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেলেন ছাত্রনেতা সারজিস আলম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ এবং জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে পরিচিত তিনি। অতীতে ভারতের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় মন্তব্য করেছিলেন এবং সরাসরি নরেন্দ্র মোদি-র নাম করে সমালোচনা করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-র দেশত্যাগ নিয়েও কটাক্ষ করেছিলেন তিনি।পঞ্চগড়-১ আসনে জামাত জোটের প্রার্থী হিসেবে লড়ে শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন সারজিস। তাঁর মন্তব্য ঘিরে আগে থেকেই বিতর্ক ছিল। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি হাসিনার দেশছাড়ার প্রসঙ্গ টেনে ঐতিহাসিক তুলনাও করেছিলেন। সেইসব বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তুলেছিল।কিন্তু ভোটের ফল অন্য কথা বলল। শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপি প্রার্থীর কাছে হেরে যান। অন্যদিকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জোটের বড় জয়। সংবাদমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২০৭টিতে এগিয়ে বা জয়ী হয়েছে বিএনপি জোট।ঢাকা-৩ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। তিনি তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ভোট বেশি পেয়েছেন।বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া-র পুত্র তারেক রহমান ঢাকা-১৭ এবং বগুড়া-৬ দুই আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আসন পেয়ে দুদশক পর সরকার গঠনের পথে বিএনপি। তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও জোরালো হয়েছে।মূল প্রতিপক্ষ জামাত জোট ১০০-র নীচে থেমে গেছে বলে জানা গিয়েছে। ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি বা এনসিপিও বড় প্রভাব ফেলতে পারেনি।সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, এই বিপুল জয়ের পর কি বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরবে? অরাজকতার অভিযোগে উত্তাল সময়ের পর পদ্মাপারের দেশে নতুন অধ্যায় শুরু হতে চলেছে কি না, এখন সেদিকেই নজর।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

হাসপাতাল থেকে ছাড়া, তবু মাঠে অনিশ্চিত অভিষেক! পাকিস্তান ম্যাচের আগে বড় ধাক্কা ভারতের শিবিরে?

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও এখনও পুরো সুস্থ নন ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা। কবে তিনি সম্পূর্ণ ফিট হয়ে মাঠে নামবেন, তা স্পষ্ট নয়। টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেও তাঁর খেলা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ। ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব ইঙ্গিত দিয়েছেন, অভিষেকের ফিরতে আরও এক-দুটি ম্যাচ সময় লাগতে পারে।বৃহস্পতিবার নামিবিয়ার বিরুদ্ধে জয়ের পর ড্রেসিংরুমে একটি ভিডিও করেন অর্শদীপ সিং। সেই ভিডিওতেই দেখা যায় অভিষেককে। তাঁকে বেশ ক্লান্ত দেখাচ্ছিল। অর্শদীপ জানতে চাইলে অভিষেক বলেন, তিনি ডাল-ভাত খাচ্ছেন, তবে পুরোপুরি ভালো নেই। অর্শদীপ মজা করে বলেন, তাঁকে অনেকটা রোগা লাগছে। যদিও সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু বলেননি অভিষেক। শোনা গিয়েছিল, পেটের সমস্যার কারণে তাঁর ওজন অনেকটাই কমে গিয়েছে। ভিডিও দেখেও অনেকে একই মন্তব্য করেছেন।অসুস্থতা নিয়েই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন অভিষেক। কিন্তু প্রথম বলেই আউট হয়ে মাঠ ছাড়েন। তার পর আর তাঁকে মাঠে দেখা যায়নি। দিল্লি ফেরা, কোচ গৌতম গম্ভীর-এর বাড়িতে যাওয়া, পরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াসবই হয়েছে চুপিসারে। গতকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও নামিবিয়ার বিরুদ্ধে খেলতে পারেননি।পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচে তিনি খেলবেন কি না, তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। টসের সময় সূর্যকুমার বলেন, অভিষেক এখনও পুরো সুস্থ নন। ফলে পাকিস্তান ম্যাচে তাঁর নামার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও ম্যাচের পরে বরুণ চক্রবর্তী জানান, অভিষেক অনেকটাই ভালো আছেন।তবে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলে এই অনিশ্চয়তা চিন্তা বাড়াচ্ছে সমর্থকদের। অভিষেক কবে মাঠে ফিরবেন, এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

লালকেল্লার পর ফের কাঁপছে দিল্লি! স্কুলে বোমা হুমকি ঘিরে তীব্র আতঙ্ক

নভেম্বরে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল রাজধানী। দিল্লি-র লালকেল্লা-র সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের স্মৃতি এখনও টাটকা। তার মধ্যেই আবার ছড়াল বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে রাজধানীর একাধিক স্কুলে বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। আতঙ্ক ছড়ায় পড়ুয়া ও অভিভাবকদের মধ্যে।দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে অন্তত তিনটি স্কুলে বোমা রয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রথমে বিটি তামিল স্কুলে বোমা থাকার খবর ছড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক করা হয় পড়ুয়াদের পরিবারকে। পরে আরও দুটি স্কুলে একই ধরনের হুমকি আসে। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকল ও পুলিশ। দ্রুত স্কুলগুলি খালি করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এর আগেও সোমবার ১৩টি স্কুলে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ইমেল পাঠানো হয়েছিল। সেই ইমেলে লেখা ছিল, আফজল গুরুর স্মৃতিতে দিল্লিকে খলিস্তান বানানো হবে এবং নির্দিষ্ট সময়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। যদিও পরে সেই হুমকি ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। তবু আতঙ্ক কাটেনি।গত ২৯ জানুয়ারি পাঁচটি স্কুল একই ধরনের হুমকি পেয়েছিল। তার আগের দিন দ্বারকা আদালত চত্বর উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি আসে। এমনকি সংসদ ভবন নিয়েও হুমকির ইমেল পাঠানো হয়েছিল। এক সপ্তাহে দুবার স্কুলে বোমা রাখার হুমকি ঘিরে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসনের।১০ নভেম্বর লালকেল্লার সামনে বিস্ফোরণের ঘটনার পর থেকেই রাজধানীতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তবু একের পর এক হুমকি ইমেল প্রশাসনকে চিন্তায় ফেলেছে। এখনও পর্যন্ত হুমকির উৎস জানা যায়নি। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।বারবার বোমা হুমকির ঘটনায় আতঙ্কে দিল্লিবাসী। নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজধানীতে ফের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পুণেতে খুন পুরুলিয়ার শ্রমিক! ভাষা বিতর্ক না কি মদের ঝামেলা—রহস্যে ঘনাচ্ছে মৃত্যু

ভিনরাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরুলিয়ায়। বিজেপি শাসিত মহারাষ্ট্র-এর পুণে থেকে উদ্ধার হয়েছে পুরুলিয়ার বরাবাজারের বাসিন্দা সুখেন মাহাতোর দেহ। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই আমিন সওকত শেখ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস-এর অভিযোগ, বাংলা ভাষায় কথা বলার কারণেই খুন হতে হয়েছে সুখেনকে। যদিও তদন্তে নেমে পুণে পুলিশের দাবি, ভাষা নয়, মত্ত অবস্থায় বচসা থেকেই এই খুনের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশের তরফে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।মঙ্গলবার পুণে শহরের কাছে শিকরাপুর থানার এলাকায় একটি হোটেলের পিছন থেকে সুখেনের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, সহকর্মীদের হাতে খুন হয়েছেন সুখেন এবং এর নেপথ্যে রয়েছে ভাষাগত বিদ্বেষ।অন্যদিকে, সুখেনের ভাই তুলসীরাম মাহাতো পুণেতে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন। তাঁর সম্মতিক্রমেই এফআইআর দায়ের হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। শিকরাপুর থানায় মারাঠি ভাষায় এফআইআর লেখা হলেও তা হিন্দিতে অনুবাদ করে তাঁকে শোনানো হয়। তুলসীরাম জানিয়েছেন, তাঁর সম্মতি নিয়েই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।তুলসীরামের বয়ান অনুযায়ী, ৯ তারিখ দুপুরে সুখেন বাড়ি থেকে কাজের উদ্দেশে বের হন। সন্ধ্যায় তিনিও কাজে যান, কিন্তু সেখানে সুখেনকে দেখতে পাননি। ফোন করলেও যোগাযোগ হয়নি। রাতেও একাধিকবার ফোন করা হয়, কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি। পরদিন সকালে শিফট শেষ করে বাড়ি ফিরে সুখেনকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পরে সুপারভাইজার সন্দীপ জানান, একটি হোটেলের পিছনে সুখেনের দেহ পড়ে রয়েছে। সেখানে গিয়ে দেহ শনাক্ত করেন তুলসীরাম।শুক্রবার দুপুরে সুখেনের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পুরুলিয়ার বরাবাজারে যাচ্ছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।এই ঘটনায় ভাষা-বিদ্বেষ না কি ব্যক্তিগত বচসা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুণে পুলিশ। পুরো ঘটনার নেপথ্যে কী রয়েছে, তা জানতে অপেক্ষা তদন্তের অগ্রগতির দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬
দেশ

তারেকের জয়ে উচ্ছ্বসিত মোদি? কূটনীতিতে নতুন অধ্যায় শুরু

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড়সড় জয়ের পথে বিএনপি। ফলাফল স্পষ্ট হতেই দলের সভাপতি তারেক রহমান-কে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে এক্স হ্যান্ডলে বার্তা দিয়ে মোদি লিখেছেন, এই জয় প্রমাণ করে বাংলাদেশবাসী তারেকের নেতৃত্বে আস্থা রেখেছেন।মোদি তাঁর বার্তায় আরও জানিয়েছেন, গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নশীল বাংলাদেশের পাশে ভারত রয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যে বহুমুখী সম্পর্ক রয়েছে, তা আগামী দিনে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি। পারস্পরিক স্বার্থে দুই দেশের সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।শুক্রবার সকালেই বাংলাদেশের নির্বাচনের ফল পরিষ্কার হয়ে যায়। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে ভোট হয়েছে। তার মধ্যে ২০০-র বেশি আসনে এগিয়ে থেকে সরকার গঠনের পথ নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। দুটি আসনে লড়ে দুটিতেই জয় পেয়েছেন তারেক রহমান।এই নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। প্রধান বিরোধী দল হিসেবে উঠে এসেছে তারা।এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে মোদির শুভেচ্ছাবার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। মোদি তাঁর বার্তায় লিখেছেন, বিএনপি দেশের নির্ণায়ক শক্তি হিসেবে উঠে এসেছে এবং তারেকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে বলেই তিনি আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে সংরক্ষণ বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হন শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি দিল্লিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন বলে জানা যায়। আন্তর্জাতিক অপরাধ দমন আদালত তাঁকে গণহত্যা মামলায় সাজা শুনিয়েছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বারবার তাঁর প্রত্যর্পণ দাবি করলেও এ বিষয়ে ভারত সরকার প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি।এই পটভূমিতে বিএনপির জয়ের আভাস মিলতেই মোদির দ্রুত শুভেচ্ছাবার্তা কূটনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। এখন নজর, তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোয়।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal