• ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Martyr

রাজ্য

বরাক উপত‍্যকার একাদশ অমর ভাষা শহীদদের স্মরণে 'বাংলা পক্ষ'

মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরে বাংলা পক্ষ সংগঠনের জেলা শাখার আয়োজনে বৃহস্পতিবার ১৯ শে মে বরাক উপত্যকার একাদশ অমর ভাষাশহীদদের স্মরণ করা হয়। এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে। এই শোভাযাত্রায় বাংলা পক্ষের সসদ্যদের সাথে পা মেলান বহরমপুর সহ মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষজন। শোভাযাত্রার পথে বর্ণপরিচয় স্রষ্ঠা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, বিপ্লবী মাস্টারদা সূর্য সেন ও ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করেন বাংলা পক্ষের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়।ভাষা আন্দোলন বলতে আমরা সাধারণ ভাবে যে দিনটির কথা জানি সেটা হল ২১ ফেব্রুয়ারি। কিন্তু স্বাধীন ভারতের মাটিতে হওয়া বাংলা ভাষা আন্দোলন দিবস ১৯ শে মে এবং ১ লা নভেম্বরের কথা অনেকেই জানে না। উল্লেখ্য, আসামের বরাক উপত্যকার বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল আসাম সরকারের অসমীয়া ভাষাকে রাজ্যের একমাত্র সরকারি ভাষা করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, যেহেতু সেই অঞ্চলে বসবাসকারী জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল বাংলাভাষী। এই গণ ঘটনাটি ১৯৬১ সালের ১৯ মে, ১১ জন প্রতিবাদে সামিল ভাষা আন্দোলনকারি কে শিলচর রেলওয়ে স্টেশনে আসাম রাজ্য পুলিশ নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করে।পদযাত্রার শেষে বহরমপুরের কালেক্টরেট ক্লাবের সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা ও সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গর্গ চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও বাংলা পক্ষ শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, ডঃ অরিন্দম বিশ্বাস, মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়, নুরুল হাসান ও কালাচাঁদ চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে মঞ্চ আলোকিত করেন অধ্যাপক মধু মিত্র, ও অধ্যাপক জ্যোতির্ময় রায়চৌধুরী।জ্যোতির্ময় বাবু কিভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ আন্দামানের বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন সেই কথা তুলে ধরেন, মধু মিত্র মুর্শিদাবাদে বাংলা পক্ষের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে হিন্দী আগ্রাসনের বিরোধিতা শোনা যায় তাঁর কণ্ঠে। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় তাঁর বক্তব্যে বলেন ভারতের প্রত্যেক রাজ্য ভূমিপুত্র সংরক্ষণের মাধ্যমে নিজের জাতির ভবিষ্যত সুরক্ষিত করছে, বাংলা ব্যতিক্রম হতে পারে না। বাংলা পক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষায় যেমন বাংলা ভাষা দাবি করে তেমন বাংলার রাজ্য সরকারি চাকরিতেও বাংলা ভাষা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি করে। সার্বিক ভাবে বাংলা পক্ষ বাংলা ভাষাকে কাজের ভাষা করে তুলতে চায়। শীর্ষ পরিষদ সদস্য মুর্শিদাবাদ জেলার ভূমিপুত্র তথা বাংলা পক্ষবার্তার প্রধান নুরুল হাসান তাঁর বক্তব্যে বাংলা পক্ষে প্রয়োজনীয়তা, লক্ষ্য ও বিভিন্ন সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি মুর্শিদাবাদের রেশম, বিড়ি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের কথা তুলে ধরেন। এতো কাজের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও জেলার ছেলে দের কেন ভিনরাজ্যে যেতে হবে সেই প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন বাংলা পক্ষ দাবি করে বেসরকারি চারকিতেও ৯০% ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। সভায় উপস্থিত জেলা সংগঠনের পর্যবেক্ষক তথা শীষ পরিষদ সদস্য মনোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন বাংলা পক্ষ ভবিষ্যতের সংগঠন, তরুণ প্রজন্মের সংগঠন। বাংলার যুব সমাজের চাকরি, ব্যবসা, টেণ্ডারে ভূমিপুত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু সাংস্কৃতিক ভাবে বাংলা ভাষা তথা বাঙালিকে বাঁচানো যাবে না। রাজনৈতিক ভাবেই হিন্দি আগ্রাসনের প্রতিবাদ করতে হবে।শীর্ষ পরিষদ সদস্য তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস চিকিৎসা ক্ষেত্রে বহিরাগতদের সংখ্যা বাড়ায় বাঙালির চিকিৎসা পরিষেবায় সমস্যার কথা বলেন। বলেন বেসরকারি হাসপাতাল গুলিতে বাঙালির বঞ্চনার কথা। আগামীতে এই বিষয়েও বাংলা পক্ষ প্রতিবাদে সরব হবে বলে তিনি জানান। এই সভাটি সঞ্চালনা করেন মুর্শিদাবাদের বাংলা পক্ষের অন্যতম সংগঠক অরিন্দম চন্দ্র।

মে ১৯, ২০২২
দেশ

Kashmir-Terrorists: উপত্যকায় নিকেশ দুই লস্কর জঙ্গি, শহিদ এক জওয়ান

উপত্যকায় অশান্তি কিছুতেই কাটছে না। পুঞ্চের পর এবার দক্ষিণ কাশ্মীরের সোপিয়ান। গোপন সূত্রে নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা জানতে পারেন, সোপিয়ানে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে লস্কর জঙ্গিরা। সেই মতো অভিযান চালান জঙ্গিরা। গুলির লড়াই শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে। সংঘর্ষে দুই লস্কর-ই-তইবা জঙ্গিকে নিকেশ করেছে ভারতীয় সেনা। গুলির লড়াইয়ে শহিদ হয়েছেন এক সেনা জওয়ান। জখম হয়েছেন আরও দুই জওয়ান।আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতায় অসন্তুষ্ট বিজেপিকিছুদিন আগেই উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরের বাসিন্দা এক কাঠের মিস্ত্রিকে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। ওই কাঠের মিস্ত্রি কাশ্মীরে কাজে গিয়েছিলেন। আজ যে জঙ্গিদের নিকেশ করা হয়েছে, তাদের মধ্যে একজনকে শনাক্ত করতে পেরেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। নাম আদিল ওয়ানি। উত্তরপ্রদেশের কাঠের মিস্ত্রিকে হত্যায় যুক্ত ছিল এই লস্কর জঙ্গি।কাশ্মীর পুলিশের ইনস্পেক্টর জেনারেল বিজয় কুমার এক টুইটে জানিয়েছেন, আদিল ওয়ানি ২০২০ সালের জুলাই মাস থেকে উপত্যকায় সক্রিয় ছিল। শেষ দুই সপ্তাহে ১৫ জন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে পুঞ্চের জঙ্গলে জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা।গত কয়েকদিন ধরেই উত্তপ্ত জম্মু-কাশ্মীর। একদিকে চলছে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ। অন্যদিকে, নিরীহ ভিন রাজ্যের শ্রমিকদের উপর লাগাতার আক্রমণ করছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা।প্রসঙ্গত, গতমাসেই পাক সেনার মদতে পুঞ্চ-রাজৌরি সেক্টর থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিল ১০জন জঙ্গি। তাদের খোঁজে রাজৌরি সেক্টরে তারপর থেকেই নিরাপত্তা বাড়ানো হয়। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। এর মধ্যে একাধিকবার সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই হয়। কিন্তু জঙ্গিদের সঙ্গে সেই এনকাউন্টারে দুই জুনিয়র কমিশনড অফিসার-সহ ৯ জওয়ান শহিদ হন। তার পালটা হিসেবেই ছয় পাক জঙ্গিকে নিকেশ করে ভারতীয় সেনা।

অক্টোবর ২০, ২০২১
দেশ

সীমান্তে শহিদ জওয়ান

ফের সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান । বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরিতে আচমকাই গোলাগুলি বর্ষণ শুরু করে পাক সেনা। পালটা জবাব দেয় ভারতও। সেই সময়ই পাকিস্তানের সেনার ছোঁড়া গুলিতে শহিদ হলেন এক ভারতীয় জওয়ান। ভারতীয় সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত জওয়ানের নাম লক্ষ্ণণ। এই নিয়ে নতুন বছরে চার জন জওয়ানের মৃত্যু হল পাক সেনার হামলায়।সেনার এক মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবেন্দ্র আনন্দ জানিয়েছেন, এদিন অন্যান্য বারের মতোই কোনও প্ররোচনা ছাড়াই গুলি চালাতে শুরু করে পাক সেনা। তখনই তাদের ছোঁড়া গুলিতে মারাত্মক জখম হন ওই জওয়ান। প্রচুর রক্তক্ষরণ হয় তাঁর। শেষ পর্যন্ত আর বাঁচানো যায়নি তাঁকে। শহিদ জওয়ান সম্পর্কে ওই মুখপাত্র বলেন, লক্ষ্ণণ ছিলেন একজন সাহসী, অনুপ্রাণিত ও কর্তব্যনিষ্ঠ সৈনিক। তাঁর ত্যাগ ও নিষ্ঠার জন্য দেশ তাঁর কাছে চিরকৃতজ্ঞ থাকবে। প্রসঙ্গত, রাজস্থানের যোধপুরের বাসিন্দা ছিলেন লক্ষ্মণ।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২১
রাজ্য

আমি বাংলার ছেলে, মানুষের কাজ করবঃ শুভেন্দু

নিজের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে মুখ খুললেন না বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতি্বার শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর জন্মদিন উপলক্ষে এক পদযাত্রায় অংশ নেন তিনি। ১৩১ তম জন্মদিনে বৃহস্পতিবার তমলুকের হাসপাতাল মোড়ে শহিদ ক্ষুদিরাম বসুর মূর্তিতে মাল্যদান করেন বিধায়ক শুভেন্দু অদিকারী। সেখান থেকে হেঁটে যান শহিদের স্মৃতি বিজড়িত হ্যামিলটন স্কুলে। পদযাত্রা সেরে হ্যামিলটন হাইস্কুলে একটি সভা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ক্ষুদিরাম বসু উদযাপন কমিটির আয়োজনে প্রত্যেক বছরই এই অনুষ্ঠানে আসি, এবারও এসেছি। হাতে জাতীয় পতাকা, পিছনে অনুগামীদের বুকে শহিদ ক্ষুদিরামের ছবি, গলায় বন্দেমাতরম স্লোগান। সেখানে সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় কোনও রাজনৈতিক কথা বলেননি ্তিনি। আরও পড়ুন ঃ আর নয় অন্যায় কর্মসূচির ঘোষণা বিজেপির শুভেন্দু বলেন, হ্যামিলটন স্কুলের বক্তব্যে ক্ষুদিরাম বসু ও মাতঙ্গিনী হাজরাকে স্মরণ করেন তিনি। ১৯০১-১৯০৪, এই ৪ বছর ক্ষুদিরাম বসু এই স্কুলে অধ্যয়ন করেছেন। সাংসদ থাকাকালীন দেখেছি, স্কুলে ক্ষুদিরামের হাতের লেখা ইত্যাদি সংরক্ষণ করেছেন। তার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। এরপরেই ক্ষুদিরাম বসুকে নিয়ে লেখা দুটি বইপ্রকাশ করে পশ্চিম মেদিনীপুরের গড়বেতা বেরিয়ে যান শুভেন্দু। অনুষ্ঠান শেষ হতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিধায়ক। প্রশ্ন করা হয়, তাঁর বর্তমান অবস্থান নিয়ে। তিনি সাফ বলেন, আমি বাংলার সন্তান, ভারতের সন্তান। বাংলার সন্তান হিসেবেই মানুষের পাশে, মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করবেন।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
রাজ্য

নেতাইয়ের সঙ্গে আছি, থাকবঃ শুভেন্দু

আমাকে আমার লক্ষ্য ,কর্মপদ্ধতি ও দায়বদ্ধতা থেকে কেউ কোনওদিন সরিয়ে দিতে পারেনি আর পারবেও না। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে নেতাই গ্রামের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। রবিবার নেতাই শহীদ স্মৃতিরক্ষা কমিটির ব্যবস্থাপনায় গৃহ প্রদান ও মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে এসে এই মন্তব্য করলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ৫২ জন মহিলাকে সেলাই প্রদান ও ১৭ জনকে বাড়ি প্রদান করা হয় এদিন। তিনি এদিন বলেন, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি থেকে নেতাই গ্রামের সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক। নেতাইয়ের মানুষের সমস্ত প্রয়োজনে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। তুলে ধরলেন নেতাইয়ের শহিদ ও আহত পরিবার, মামলায় সাক্ষীদের ক্ষোভের কথা। আরও পড়ুনঃ নেতাইয়ে গৃহ প্রদান ও মহিলাদের সেলাই মেশিন প্রদান অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন , তিনি বলেন, এর আগে আমি এখানে ক্ষোভ লক্ষ্য করেছি কিন্তু আমার প্রতি তাঁদের কোনওরকম ক্ষোভ নেই। তাঁরা ৮ জনের কর্মসংস্থানের কথা বলেছিলেন। আমি তাদের পাঁচজনের ছোটখাটো কর্মসংস্থান করতে পেরেছি। বাকি তিন জনের কথাও ভাবছি। নেতাইয়ের সঙ্গে আমার আত্মিক, মানসিক ও হৃদয়ের সম্পর্ক।তিনি বলেন, চন্দ্র, সূর্য, পৃথিবী যতদিন থাকবে শুভেন্দু অধিকারী যতদিন হাঁটাচলা করতে পারবে ততদিন নেতাইয়ের সঙ্গে আছি, থাকব। পুজোতে তিনি ফের জঙ্গলমহলে আসবেন বলে জানিয়ে দেন শুভেন্দু।

অক্টোবর ১৯, ২০২০
রাজ্য

শহিদ জওয়ানের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য রাজ্যপালের

লাদাখের গালোয়ান ভ্যালিতে সংঘর্ষে শহিদ জওয়ান বিপুল রায়ের বাড়িতে গেলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় । শুক্রবার সকাল ৯ টা ২৫ মিনিট নাগাদ বিন্দিপাড়ায় শহিদ জওয়ানের বাড়িতে যান রাজ্যপাল। শহিদ বিপুল রায়ের পরিবারের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন তিনি। তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা তুলে দেন শহিদ বিপুল রায়ের স্ত্রী রুম্পা রায়ের হাতে । রাজ্যপালের স্ত্রী বিপুল রায়ের মা কুসুম রায়ের হাতে তুলে দেন আরও সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা । বিপুলের ছোটো ভাই বকুল রায়কে কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রুপ সি পদে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন রাজ্যপাল । প্রায় চল্লিশ মিনিট পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করে বলেন, ভারত সঠিক দিশায় এগোচ্ছে । ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে একজন । সে বিষয়ে কোনও মতান্তর নেই । ভারত আমূল পালটে যাচ্ছে । ভারত সঠিক পথেই বদলাচ্ছে । আমি দেখতে পাচ্ছি ভারতের পুরোনো ঐতিহ্য, গৌরব ফিরে আসছে । ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গের যোগদান কম থাকবে না । রাজ্যের প্রথম নাগরিক হওয়ার সুবাদে আমার কর্তব্য পশ্চিমবঙ্গকে কোনওভাবেই এমন বিষয়ের পরিচায়ক হতে দেব না যাকে আমরা হিংসা বলি । তিনি এদিন রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা নেই। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে। ছক কষে বিরোধীদের খুন করা হচ্ছে। মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের থেকে জবাব চেয়েও পাইনি। গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় এভাবে রাজ্য সরকার চলতে পারে না। এদিকে এদিন আলিপুরদুয়ারের বিন্দিপাড়ায় পৌঁছনো্র পর রাজ্যপাল দেখতে পান, কয়েকটি পোস্টার সাঁটা রয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, পঙ্গপাল রাজ্যপাল। নির্লজ্জ বিজেপির দালাল। কোথায় ছিল এতকাল। জবাব চাই। জবাব দাও। পোস্টারের নিচে তৃণমূলের নামও উল্লেখ করা ছিল। তাতেই বেজায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। যদিও শাসকদল তৃণমূল এই পোস্টারের সঙ্গে তাদের কোনও যোগসাজশ নেই বলেই দাবি করেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
দেশ

পুলওয়ামায় ফের জঙ্গি হামলা, শহিদ ২ জওয়ান

ফের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলা। ওই হামলায় শহিদ হয়েছেন ২ সিআরপিএফ জওয়ান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আরও ৩ জওয়ানকে শ্রীনগরের সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামার পাম্পোরে সোমবার দুপুর নাগাদ এই হামলা চালায় জঙ্গিরা। এদিন সিআরপিএফ-এর ১১০ নম্বর ব্যাটালিয়ন ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ সেখানে টহল দিচ্ছিলেন। কান্দিজাল সেতুর কাছে আসতেই আচমকাই তাদের ওপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা। হামলার পরই এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী।চলে তল্লাশি।

অক্টোবর ০৫, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

রাহুলকে ডেকেও সাড়া মেলেনি! বিস্ফোরক অভিযোগে মুখ খুললেন সোনম ওয়াংচুক

রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু কোনও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি। দীর্ঘ অনশনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে এবার বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন পরিবেশকর্মী ও শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক। শুধু রাহুল গান্ধী নন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতিও রক্ষা করা হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি। সেই কারণেই এখন সব রাজনৈতিক নেতার উপর থেকে তাঁর আস্থা উঠে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন সোনম।নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদ এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সংস্কারের দাবিতে যন্তর মন্তরে টানা ছাব্বিশ দিন অনশন করেছিলেন সোনম ওয়াংচুক। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তাঁর স্ত্রী গীতাঞ্জলী চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে অনশন ভাঙতে। সেই উদ্দেশ্যে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কোনও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি। সোনমের কথায়, তাঁর স্ত্রীর কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না। তিনি শুধু চেয়েছিলেন রাহুল এসে অনশন ভাঙান। কিন্তু তা হয়নি।অনশন শেষ হওয়ার সময়ের ঘটনাও সামনে এনেছেন সোনম। তাঁর দাবি, তিনি চেয়েছিলেন শাসক ও বিরোধী শিবিরের পাশাপাশি ছাত্র প্রতিনিধিরাও সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকুন। সেই সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং মধ্যরাতে তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, আনুষ্ঠানিকভাবে অনশন শেষ করার ঘোষণার পরেই বৈঠকের ছবি প্রকাশ করা হবে। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা হয়নি। আগেভাগেই ছবি প্রকাশ্যে চলে আসে। এই ঘটনায় তিনি গভীরভাবে হতাশ হন।সোনম ওয়াংচুক বলেন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের এই অভিজ্ঞতা অত্যন্ত হতাশাজনক। তাঁর কথায়, এখন তিনি কোনও রাজনৈতিক নেতার উপরই আর ভরসা করতে পারেন না।মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক নিয়ে যে রাজনৈতিক সমঝোতার অভিযোগ উঠেছিল, তা-ও খারিজ করেছেন সোনম। তাঁর বক্তব্য, যদি রাজনৈতিক সমঝোতাই উদ্দেশ্য হত, তাহলে ছাব্বিশ দিন অনশন করার কোনও প্রয়োজন ছিল না। ব্যক্তিগত সুবিধা নয়, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার এবং ছাত্রদের স্বার্থেই তিনি আন্দোলনে নেমেছিলেন। তাঁর দাবি, গোটা আন্দোলন শান্তিপূর্ণ ছিল এবং তার লক্ষ্য ছিল শুধুমাত্র জনস্বার্থ।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
দেশ

বিদেশে চিকিৎসার লড়াই থামছেই না! ফের সুপ্রিম কোর্টে অভিষেক, এবার কী রায়?

বিদেশে চোখের চিকিৎসার অনুমতি পেতে আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে কলকাতা হাইকোর্ট, তারপর সুপ্রিম কোর্ট, আবার হাইকোর্ট কোথাও কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি না মেলায় এবার ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে নতুন করে আবেদন করেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।এর আগে বিদেশে চোখের চিকিৎসার অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন অভিষেক। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য জানান, দেশের মধ্যে চিকিৎসার সুযোগ থাকলে আগে সেই পথই অনুসরণ করতে হবে। আদালত বিশেষভাবে এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসকদের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠনের পরামর্শ দেয়। সেই বোর্ড যদি মনে করে বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন, তবেই বিদেশ যাওয়ার অনুমতির বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।হাইকোর্টের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবী জানান, তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন এবং আদালতের সব নির্দেশ মেনেছেন। তাই চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে বাধা দেওয়া উচিত নয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই আবেদন গ্রহণ না করে জানায়, বিষয়টি প্রথমে হাইকোর্টেই নিষ্পত্তি হওয়া উচিত। একই সঙ্গে হাইকোর্টকে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।পরবর্তী শুনানিতে হাইকোর্ট আবারও জানায়, এসএসকেএম হাসপাতালের মেডিক্যাল বোর্ডের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অভিষেকের আইনজীবী স্পষ্ট জানান, তাঁর মক্কেল এসএসকেএমে চিকিৎসা করাতে আগ্রহী নন এবং বিদেশেই চিকিৎসা করাতে চান। এরপর হাইকোর্ট আবেদন খারিজ করে দেয়।হাইকোর্টে স্বস্তি না মেলায় এবার আবারও সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন শীর্ষ আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং আইনি বিশেষজ্ঞদের।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
দেশ

“রাজনীতি করবেন, আর ডিমকে ভয় পাবেন?” সুপ্রিম কোর্টে মহুয়াকে তীব্র কটাক্ষ, তারপর যা হল...

সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্র। একটি ফেসবুক পোস্ট সংক্রান্ত মামলায় ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চেয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। শুনানির সময় বিচারপতির মন্তব্য ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। পরে মহুয়া মৈত্রের আইনজীবী নিজেই মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন।শুক্রবার বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি শীল নাগুর বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। মহুয়ার আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ আদালতে জানান, আগেরবার হাজিরা দিতে গিয়ে তাঁর মক্কেলকে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল। এমনকি তাঁর দিকে ডিমও ছোড়া হয়েছিল। সেই কারণেই জেরার জন্য ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চাওয়া হয়।এই আবেদন শুনেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত প্রশ্ন তোলেন, শুধুমাত্র সাংসদ হওয়ার কারণেই কি এমন সুবিধা চাওয়া হচ্ছে? পরে ডিম ছোড়ার প্রসঙ্গ উঠতেই বিচারপতি মন্তব্য করেন, রাজনীতি করতে এলে ডিমকে ভয় পেলে চলবে না। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীরা বুকে গুলি খেয়েছেন, তাই জনজীবনে থাকা ব্যক্তিদের সমালোচনা বা প্রতিবাদের মুখোমুখি হওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।শুনানির সময় আদালত মহুয়ার আবেদন গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করে। এরপর তাঁর আইনজীবী মামলাটি প্রত্যাহার করে নেন। ফলে ভার্চুয়াল হাজিরার আবেদন আর বিবেচনা করা হয়নি।উল্লেখ্য, এই একই মামলায় আগে কলকাতা হাই কোর্ট মহুয়া মৈত্রকে গ্রেফতারি থেকে অন্তর্বর্তী সুরক্ষা দিয়েছিল। তবে তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি আগামী ১৪ আগস্ট তদন্তকারী সংস্থার সামনে হাজির হওয়ার নির্দেশ রয়েছে। সেই নির্দেশের পরই ভার্চুয়াল হাজিরার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন কৃষ্ণনগরের সাংসদ।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

রক্ত সংগ্রহে ভয়ঙ্কর অনিয়মের অভিযোগ! আদালতের নজরে এগারো ব্লাড ব্যাঙ্ক, বাড়ল চাপ

রাজ্যে রক্ত সংগ্রহ ও বণ্টন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগে শুরু হওয়া বিতর্ক এবার পৌঁছে গেল কলকাতা হাই কোর্টে। একাধিক বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হওয়ার পর পাড়ায় পাড়ায় রক্তদান শিবির আয়োজনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। সেই নির্দেশের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হয় একটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ক। শুক্রবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও রাজ্য সরকারের কাছে জানতে চান, তদন্ত কতদূর এগিয়েছে। আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে তদন্তের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ১৯ আগস্ট।রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিল জানায়, বিভিন্ন বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্কে আকস্মিক পরিদর্শনে রক্ত সংগ্রহ ও বণ্টনে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। সেই কারণেই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মোট এগারোটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাঙ্ককে বাইরে রক্তদান শিবির আয়োজন করতে নিষেধ করা হয়েছে। তবে সরকারি নিয়ম মেনে নিজেদের হাসপাতাল বা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে রক্ত সংগ্রহ করা যাবে।সরকারি নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, রাজ্যের মধ্যে রক্ত বা রক্তের উপাদান অন্য কোনও ব্লাড ব্যাঙ্কে পাঠানোর আগে রাজ্য ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলকে জানাতে হবে। আর অন্য রাজ্যে পাঠাতে হলে জাতীয় ব্লাড ট্রান্সফিউশন কাউন্সিলের অনুমতি বাধ্যতামূলক।তদন্তে অভিযোগ উঠেছে, প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে রক্ত ও রক্তের উপাদান অন্য রাজ্যে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ, গত ছয় মাসে প্রায় সাড়ে তিন হাজার ইউনিট লোহিত রক্তকণিকা বিহার, উত্তরপ্রদেশ ও ঝাড়খণ্ড-সহ একাধিক রাজ্যে বিক্রি করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই স্বাস্থ্য দপ্তর কড়া পদক্ষেপ করে। এখন আদালতের নির্দেশের পর তদন্তের রিপোর্টে কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর সকলের।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

শিক্ষক নিয়োগে আর ফিরছে না পুরনো নিয়ম! আদালতে এসএসসির বক্তব্যে জোর চর্চা

শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান জানাল স্কুল সার্ভিস কমিশন। কলকাতা হাই কোর্টে এসএলএসটি নিয়োগ মামলার শুনানিতে কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, ভবিষ্যতের নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন নিয়ম মেনেই হবে। আগামী ২১ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।শুক্রবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার বেঞ্চে রাজ্যের পক্ষে সিনিয়র স্ট্যান্ডিং কাউন্সেল নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য আদালতে জানান, নিয়োগে দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের অবস্থান একেবারেই কঠোর। তাই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও অনিয়মের সুযোগ থাকবে না। সেই কারণেই দ্বিতীয় এসএলএসটি নিয়োগ ২০২৫ সালের নতুন বিধি অনুসারে করা হবে।এর আগে ২০১৬ সালের শিক্ষক নিয়োগের সম্পূর্ণ প্যানেল আদালতের নির্দেশে বাতিল হয়েছিল। এরপর নতুন করে নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলাকারীদের দাবি ছিল, যেহেতু বিজ্ঞপ্তি ২০১৬ সালের, তাই সেই সময়ের নিয়ম মেনেই নিয়োগ হওয়া উচিত। তবে সরকার ও এসএসসি আদালতে জানায়, নতুন নিয়োগ বর্তমান নিয়ম অনুসারেই হবে।শুনানিতে সংরক্ষণ নিয়েও আলোচনা হয়। আগে অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ১৭ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল। পরে নতুন নিয়মে তা ৭ শতাংশ করা হয়েছে। আদালত জানায়, বর্তমান সংরক্ষণ নীতিও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মানতে হবে। একই সঙ্গে রাজ্য সরকার ও এসএসসিকে সমন্বয় করে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পরামর্শ দিয়েছে আদালত।এখন নজর আগামী ২১ আগস্টের শুনানির দিকে। ওই দিন আদালতে এই মামলার পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
রাজ্য

জেলে সুজিত, এবার গ্রেফতার ঘনিষ্ঠ! গেস্ট হাউসে অভিযানে সামনে এল চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

সল্টলেকের সুকান্তনগরের একটি গেস্ট হাউসে অনৈতিক কাজের অভিযোগে গ্রেফতার হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত সায়ন দে। তাঁর সঙ্গে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ওই গেস্ট হাউসে দীর্ঘদিন ধরে দেহ ব্যবসা এবং নাবালিকাদের দিয়ে অনৈতিক কাজ করানো হচ্ছিল। যদিও সায়ন দে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, বহুদিন ধরেই ওই গেস্ট হাউসে অনৈতিক কার্যকলাপ চলছিল। একাধিকবার থানায় অভিযোগ জানানো হলেও আগে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ। সরকার পরিবর্তনের পর বিধাননগর গোয়েন্দা শাখার পুলিশ অভিযান চালিয়ে কয়েকজন মহিলা ও নাবালিকাকে উদ্ধার করে। পরে তাঁদের বয়ান নেওয়া হয়। তদন্তের ভিত্তিতে সায়ন দে এবং অনির্বাণ নামে আরও এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে তোলা হয়েছে।এই ঘটনায় বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব দাবি করেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার মানুষ অভিযোগ জানিয়ে আসছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আগে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হয়নি।অন্যদিকে আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে সায়ন দে দাবি করেন, ওই গেস্ট হাউস তাঁর কি না, সেটাই জানতে পুলিশ তাঁকে নিয়ে এসেছে। তাঁর কথায়, কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তদন্তের পরই প্রকৃত সত্য সামনে আসবে।এই ঘটনাকে ঘিরে সল্টলেকে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে এবং প্রয়োজন হলে আরও পদক্ষেপ করা হবে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

কুণাল ঘোষকে বড় ধাক্কা! কণ্ঠরোধ মামলায় যা বলল হাইকোর্ট, চাঞ্চল্য রাজ্য রাজনীতিতে

বিধানসভায় কথা বলতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলে করা কুণাল ঘোষের মামলা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও জানিয়ে দেন, এই বিষয়ে আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। যদি কোনও অভিযোগ থাকে, তা বিধানসভার স্পিকারের কাছেই জানাতে হবে।কুণাল ঘোষের অভিযোগ ছিল, বিধানসভার অধিবেশনে তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। তাঁর নাম বক্তাদের তালিকা থেকে বারবার বাদ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এই ঘটনাকে তিনি পরিকল্পিত বলে অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।মামলার শুনানিতে কুণাল ঘোষের আইনজীবী আদালতে জানান, বিষয়টি বিচারিক পর্যালোচনার আওতায় আনা হোক। তাঁর দাবি, বিধানসভায় বক্তব্য রাখার জন্য কুণাল ঘোষের নাম পাঠানো হচ্ছে না। আদালতের হস্তক্ষেপে অন্তত তাঁর বক্তব্য রাখার সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত।এর জবাবে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও প্রশ্ন তোলেন, আদালত কীভাবে স্পিকারকে নির্দেশ দিতে পারে যে কোন বিধায়ক কখন বক্তব্য রাখবেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিধানসভার কার্যপ্রণালীর বিষয়টি মূলত স্পিকারের এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে।বিধানসভার পক্ষের আইনজীবী আদালতে জানান, বিপুল সংখ্যক বিধায়কের মধ্যে প্রত্যেককে নির্দিষ্ট সময়ে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও দাবি করেন, কুণাল ঘোষ অতীতেও বিধানসভায় বক্তব্য রেখেছেন। তাই তাঁর অভিযোগের ভিত্তি নেই।সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কুণাল ঘোষের আবেদন খারিজ করে দেন। আদালত জানায়, যদি সত্যিই তাঁর কোনও অভিযোগ থাকে, তাহলে তা বিধানসভার স্পিকারের কাছেই উত্থাপন করতে হবে। এই বিষয়ে আদালতের আর কোনও করণীয় নেই।

আগস্ট ০৭, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ হাসপাতালে মিঠুন! অস্ত্রোপচারের খবর ছড়াতেই ছুটে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী, জানালেন বড় আপডেট

জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী অসুস্থ হয়ে কলকাতার বাইপাসের ধারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন যাদবপুরের বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়-সহ অন্যরা। মুখ্যমন্ত্রী অভিনেতার সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।গত কয়েক বছরে সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর একাধিক নির্বাচনী প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন তিনি। সাম্প্রতিক নির্বাচনেও বয়সের তোয়াক্কা না করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে প্রচার করেছেন। প্রচারের মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়লেও প্রচার থামাননি।মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারী নিউটাউনে মিঠুন চক্রবর্তীর বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন। এবার অভিনেতার হাসপাতালে ভর্তির খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছে যান তিনি। বেশ কিছুক্ষণ মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে কথা বলেন এবং চিকিৎসকদের কাছ থেকেও তাঁর শারীরিক অবস্থার বিস্তারিত জানেন।হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মিঠুন চক্রবর্তী বাংলার সম্পদ। তাঁর কথায়, রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়েও বাংলার মানুষের কাছে মিঠুনের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। তিনি আরও জানান, ছোট একটি অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং বর্তমানে অভিনেতা সুস্থ আছেন। মুখ্যমন্ত্রী নিজের সমাজমাধ্যমেও সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করেছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, মিঠুন চক্রবর্তীর হাতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।

আগস্ট ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal